শুক্রবার , ২৯ জুলাই ২০২২ | ১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উপ-সম্পাদকীয়
  5. কৃষি ও প্রকৃতি
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. জীবনযাপন
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. দেশগ্রাম
  13. দেশজুড়ে
  14. ধর্ম
  15. নারী ও শিশু

‘পদ্মা সেতুর কারণে সবার লাভ হয়েছে, সুন্দরবনের ক্ষতি হয়েছে’

প্রতিবেদক
নিউজ ডেস্ক
জুলাই ২৯, ২০২২ ৮:২৮ পূর্বাহ্ণ

পদ্মা সেতুর কারণে অর্থনৈতিক ভাবে উপকার হলেও সুন্দরবনের ক্ষতি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার।

সেতুর কারণে অবাধে পর্যটকদের সুন্দরবন যাওয়া ঠেকাতে কিছু বিধি নিষেধ প্রয়োজন আছে বলে জানান এই উপমন্ত্রী।

শুক্রবার (২৯ জুলাই) সকালে বন অধিদপ্তরের মিলনায়তনে বিশ্ব বাঘ দিবস ২০২২ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, জীববৈচিত্র্য রক্ষার্থে সুন্দরবন ভ্রমণে বেশ কিছু বিধি নিষেধ আনা উচিত। পর্যটকরা অবশ্যই যাবে, যাবে না কেন। কিন্তু নিয়ম মেনে যাবে। বিশেষ করে পদ্মা সেতু হওয়ায় সবার অনেক লাভ হয়েছে। কিন্তু আমার মনে হয় সুন্দরবনের ক্ষতি হয়েছে। কারণ যে পরিমাণ মানুষ দিন রাত যাচ্ছে। এখন তিন মাস কারও ঢোকার নির্দেশনা নাই। কিন্তু যারা পদ্মার ওপারে তারা হয়তো সুন্দরবন সম্পর্কে কিছু একটা জানলেও এই তিন মাস যাওয়া বন্ধ থাকে এটা জানে না। এ পাড়ের মানুষ তো ওপাড় সম্পর্কে অজ্ঞ ছিলেন। এখন তারা জানেন ওপাড়ে সুন্দরবন। এছাড়া আর কিছুই জানেন না। সেই জন্য গিয়ে এত বেশি চাপ সৃষ্টি করেন। আমাদের বন বিভাগের অনেকেই আছেন যারা ইচ্ছের বিরুদ্ধে বাধ্য হয়ে অনুমতি দিচ্ছেন।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী।

মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেন, এক সময় বিভিন্ন পাহাড়ি অঞ্চলে বাঘ ছিল। চোরাকারবারিদের শিকারের কারণে বাঘ কমে গেছে। বন বিভাগকে অনুরোধ করবো আমাদের তো অনেক বনাঞ্চল আছে, যদি সেইসব এলাকায় আবার বাঘের আবাস্থল করা যায় কিনা সেটা চিন্তা করে দেখতে পারেন।

বনভূমি বেহাত হয়েছে তার কারণ আমরা বন্যপ্রাণী রক্ষা করতে পারিনি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বন্যপ্রাণীরা বন পাহারা দিতো। সুন্দরবনে যদি বাঘ না থাকে তাহলে সুন্দরবন রক্ষা করা যাবেনা। আমার মনে হয় না আর পাঁচ বছরও সুন্দরবনকে রক্ষা করা যাবে।

তিনি বলেন, সুন্দরবন এলাকায় বিষ দিয়ে মাছ শিকার বন্ধ করতে হবে। এজন্য যা যা করা দরকার আমরা করবো। বাঘ ও অন্যান্য প্রাণীর জন্য সুন্দরবনে ৮০ টি পুকুর খনন করা হয়েছে। পেট্রোলিং ও ড্রোনের মাধ্যমে বন্য প্রাণীর সুরক্ষা নিশ্চিত করা হচ্ছে। এ সময় সুন্দরবনের বাঘ ও প্রকৃতি রক্ষায় তার মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব ইকবাল আবদুল্লাহ হারুন প্রমুখ।

 

     

    সর্বশেষ - দেশজুড়ে