শনিবার , ৩০ জুলাই ২০২২ | ৮ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উপ-সম্পাদকীয়
  5. কৃষি ও প্রকৃতি
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. জীবনযাপন
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. দেশগ্রাম
  13. দেশজুড়ে
  14. ধর্ম
  15. নারী ও শিশু

‘আইএমএফের অর্থ ছাড়ে’ যুক্তরাষ্ট্রের দ্বারস্থ পাকিস্তান সেনাপ্রধান

প্রতিবেদক
নিউজ ডেস্ক
জুলাই ৩০, ২০২২ ৪:৫৪ পূর্বাহ্ণ

আসিম ইফতিখার আহমদ বলেন, ‘আমাদের মনে হয় আইএসপিআর (আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর) এ বিষয়ে ভালো বলতে পারবে।’

বাজওয়া ফোনে শেরমানের সঙ্গে কথা বলেছেন জানিয়ে নিক্কেই টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়, নাম না প্রকাশের অনুরোধ জানিয়ে সূত্রগুলো বলেছে, আইএমএফের ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার (১২০ কোটি ডলার) ঋণ দ্রুত ছাড় করাতে হোয়াইট হাউস ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন বাজওয়া। ঋণ কর্মসূচির অধীন পাকিস্তানের এই অর্থ পাওয়ার কথা রয়েছে।

রুপির দরপতন, আকাশচুম্বী মূল্যস্ফীতি ও ক্রমবর্ধমান জ্বালানি সংকটে টালমাটাল অর্থনীতি নিয়ে বিপাকে পড়েছে পাকিস্তান। কর্মকর্তারা আশা করছেন, আইএমএফের ঋণ কর্মসূচি পুনরুজ্জীবিত করার মাধ্যমে দেশটিতে স্থিতিশীলতা ফিরবে।

গত মাসে আইএমএফ জানিয়েছিল, সমন্বিত ৬ বিলিয়ন ডলারের (৬০০ কোটি ডলার) ঋণসুবিধা নিয়ে কর্মকর্তা পর্যায়ে সমঝোতা হয়েছে। এতে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ১ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলার (১১৭ কোটি ডলার) ছাড়ের পথ সুগম হয়। নির্বাহী পর্যায়ের সমঝোতার পর এই অর্থ ছাড় করা হবে। কিন্তু এই বৈঠক আগস্টের শেষ দিক নাগাদ পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ঋণ খেলাপি হওয়া ঠেকাতে রাষ্ট্রের সম্পদ বেচতে পাকিস্তানে অধ্যাদেশ

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ

আইএমএফের অর্থ ছাড়ে পাকিস্তান সেনাপ্রধানের অনুরোধ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে গতকাল মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র নেড প্রাইস বলেন, ‘ব্যক্তিগত কূটনৈতিক আলাপের বিষয়ে আমরা কোনো মন্তব্য করি না।’

এদিকে পাকিস্তানের একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে গতকাল দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেন, এই খবর যদি সত্য হয়, পাকিস্তান যে দেশ হিসেবে দুর্বল হচ্ছে, সেই ইঙ্গিতই মিলে। তিনি বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া সেনাপ্রধানের কাজ নয়।

ইমরান খান বলেন, পাকিস্তানকে যদি অর্থনৈতিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র সাহায্য করে, তাহলে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া তুলবে ওয়াশিংটন। তিনি বলেন, ‘আমি আশঙ্কা করছি, মার্কিন দাবি-দাওয়ার মুখে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা দুর্বল হবে। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানকেই ভুগতে হবে।’

সর্বশেষ - দেশজুড়ে