বৃহস্পতিবার , ৪ আগস্ট ২০২২ | ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উপ-সম্পাদকীয়
  5. কৃষি ও প্রকৃতি
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. জীবনযাপন
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. দেশগ্রাম
  13. দেশজুড়ে
  14. ধর্ম
  15. নারী ও শিশু

‘চতুর্থ ডোজ টিকা লাগবে কিনা জানা যাবে শিগগিরই’

প্রতিবেদক
নিউজ ডেস্ক
আগস্ট ৪, ২০২২ ১:০৮ অপরাহ্ণ

করোনা প্রতিরোধে চতুর্থ ডোজ টিকা নিতে হবে কি না, সে সম্পর্কিত গবেষণার ফলাফল শিগগিরই জানা যাবে বলে জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, টিকার (তৃতীয় ডোজ) বুস্টার ডোজ নেওয়ার পরে শরীরে কী পরিমাণ অ্যান্টিবডি তৈরি হয়-সে সম্পর্কিত একটি গবেষণা বিএসএমএমইউতে চলছে। এই গবেষণার ফল শিগগিরই সবাইকে জানানো হবে।

মঙ্গলবার (২ আগস্ট) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ে বেসিক সাইন্স ও প্যারাক্লিনিক্যাল সাইন্স অনুষদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘রিসার্চ প্রোটোকল: ইথিক্যাল অ্যান্ড স্ট্যাটিসটিক্যাল ইস্যুজ’ সম্পর্কিত দিনব্যাপী ওয়ার্কশপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, গবেষণার ফলাফলের ওপর নির্ভর করে চতুর্থ ডোজ নিতে হবে কি না সে বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হবে।

উপাচার্য বলেন, বেসিক সাইন্স ও প্যারাক্লিনিক্যাল সাইন্স অনুষদের অনেক কিছু করার আছে। বর্তমানে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে করোনাভাইরাসের অ্যান্টিবডি, জেনোম সিকোয়েন্সিং নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে তারা একাধিক গবেষণা করেছে এবং তার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। গবেষণার ক্ষেত্রে রোগী ও জনকল্যাণ সম্পর্কিত নতুন নতুন গবেষণায় মনোনিবেশ করতে হবে। আগামী ২৭ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা দিবস উদযাপন করা হবে। ভালো গবেষণা ও থিসিসের জন্য অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসএমএমইউয়ের উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। বছরব্যাপী বিভিন্ন বিষয়ের ওপর গবেষণা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে বেসিক সাইন্স ও প্যারাক্লিনিক্যাল সাইন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. শিরিন তরফদার বলেন, আধুনিক বিশ্বায়নের এই যুগে চিকিৎসা বিজ্ঞান হয়ে উঠেছে এভিডেন্স বেইজড মেডিসিন (ইভিএম)। আর এই চিকিৎসা দিতে হলে জরুরিভাবে দরকার গবেষণা। এজন্য প্রত্যেক চিকিৎসককে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কোর্সের ক্ষেত্রে বেশি বেশি রিসার্চ মেথোডলজি অধ্যয়ন করতে হবে। এটা তাদের জন্য অত্যাবশ্যকীয়। বিশেষ করে পোস্ট গ্রাজুয়েট ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য, একটি পূর্ণাঙ্গ রিসার্চ করতে প্রাথমিকভাবে রিসার্চ প্রোটোকল কীভাবে তৈরি করতে হবে এবং এর পরিসংখ্যান পদ্ধতি কী ধরনের হবে-সেই বিষয়ে গভীর প্রশিক্ষণ প্রয়োজন বলে মনে করছি।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বেসিক সাইন্স ও প্যারাক্লিনিক্যাল সাইন্স অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক ডা. খন্দকার মানজারে শামীম, বায়োকেমিস্টি ও মলিকুলার বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. মোজাম্মেল হক।  এ সময় বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক, চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

 

সর্বশেষ - দেশজুড়ে