শুক্রবার , ১৯ আগস্ট ২০২২ | ১লা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উপ-সম্পাদকীয়
  5. কৃষি ও প্রকৃতি
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. জীবনযাপন
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. দেশগ্রাম
  13. দেশজুড়ে
  14. ধর্ম
  15. নারী ও শিশু

হাজার নেকি অর্জনের ছোট্ট তাসবিহ

প্রতিবেদক
নিউজ ডেস্ক
আগস্ট ১৯, ২০২২ ৯:৪৩ পূর্বাহ্ণ

‘সুবহানাল্লাহ’ মহান আল্লাহ পুতঃপবিত্র। এটি কোরআনুল কারিমের আয়াত দ্বারা প্রমাণিত। ফেরেশতা এ ঘোষণা দিয়েছেন। আল্লাহর প্রশংসা করেছেন এভাবে-
قَالُوۡا سُبۡحٰنَکَ لَا عِلۡمَ لَنَاۤ اِلَّا مَا عَلَّمۡتَنَا ؕ اِنَّکَ اَنۡتَ الۡعَلِیۡمُ الۡحَکِیۡمُ
‘তারা বলল, ‘আপনি মহান পবিত্র। আপনি আমাদেরকে যা শিক্ষা দিয়েছেন, তা ছাড়া আমাদের তো অন্য কোনো জ্ঞান নেই। নিশ্চয়ই আপনি জ্ঞানময়, প্রজ্ঞাময়।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ৩২)

ছোট্ট একটি তাসবিহ- سُبْحَانَ اللهِ (সুবহানাল্লাহ)। এ তাসবিহতে ফুটে ওঠেছে মহান আল্লাহ সব কিছু থেকে দোষ-ত্রুটিমুক্ত পবিত্র। হাদিসে পাকে নবিজি সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছোট্ট এ তাসবিহ-এর তাৎপর্য ও ফজিলত তুলে ধরেছেন। তাহলো-
১. হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমরা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে ছিলাম। তিনি বললেন, তোমাদের কোনো ব্যক্তি প্রত্যেক দিন ১০০০ নেকি অর্জন করতে সক্ষম কি? তন্মধ্যে একজন বললেন, আমাদের মধ্যে কোনো ব্যক্তি কীভাবে ১০০০ হাজার নেকি অর্জন করবে? তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ১০০ বার سُبْحَانَ اللهِ (সুবহানাল্লাহ) বললে, তার জন্য ১০০০ হাজার নেকি লেখা হবে। অথবা তার ১০০০ পাপ মোচন করা হবে। (মুসলিম, মিশকাত)

২. হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, ‌এ বাক্যটির অর্থ হলো- আল্লাহ পবিত্র অর্থাৎ আল্লাহ তাআলা যাবতীয় মন্দ ও সব ধরনের দোষ-ত্রুটি থেকে সম্পূর্ণ পবিত্র।
৩. একবার হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু হজরত আলি রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে প্রশ্ন করেছিলেন, আমরা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু’র অর্থ জানি। কিন্তু সুবহানাল্লাহ’র তাৎপর্য কি? তখন হজরত আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু জবাব দিয়েছিলেন, ‘আল্লাহ তাআলা এ বাক্যটি নিজের জন্য পছন্দ করেছেন। তিনি এ বাক্য দ্বারা সন্তুষ্ট হন। এ বাক্যটির জিকির আল্লাহ তাআলার মহান দরবারে অত্যন্ত পছন্দনীয়।
৪. হজরত মাইমুন ইবনে মেহরান রহমাতুল্লাহি আলাইহি সুবহানাল্লাহর প্রসঙ্গে বলেছেন, এতে আল্লাহ তাআলার তাযিম রয়েছে এবং তাঁর পবিত্রতার বর্ণনা রয়েছে।

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, সব সময় কাজের ফাঁকে বেশি বেশি ‘সুবহানাল্লাহ’, ‘সুবহানাল্লাহ’ জিকির করা। হাজার নেকি অর্জনের পাশাপাশি হাজার গুনাহ থেকে মুক্তির চেষ্টা করা।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে বেশি বেশি এ তাসবিহ পড়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

 

     

    সর্বশেষ - আইন-আদালত