শনিবার , ২৭ আগস্ট ২০২২ | ৪ঠা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উপ-সম্পাদকীয়
  5. কৃষি ও প্রকৃতি
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. জীবনযাপন
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. দেশগ্রাম
  13. দেশজুড়ে
  14. ধর্ম
  15. নারী ও শিশু

শেকৃবির হলে খাবারের মান নিয়ে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা

প্রতিবেদক
নিউজ ডেস্ক
আগস্ট ২৭, ২০২২ ৪:০৯ অপরাহ্ণ

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের হল ডাইনিংয়ের খাবার মান তলানিতে ঠেকেছে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। এ নিয়ে হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন তারা।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দিনে দিনে হলের ডাইনিংয়ে খাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ছে। খাবারের মান নিয়ে হলগুলোর প্রভোস্ট এবং ডাইনিং ম্যানেজারদের জানালেও কোনো ভালো ফল আসছে না। কর্তৃপক্ষ বলছে, খাবারের দাম বাড়াতে হবে। তা নাহলে বর্তমান দামে খাবারের মান ভালো করা প্রায় অসম্ভব।

বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘দাম বাড়িয়ে হলেও খাবার মান ঠিক করা হোক। অথবা সরকারের পক্ষ থেকে ভর্তুকি বাড়ানো হোক। আমরা নিম্ন পুষ্টিমানের খাবার খেয়ে দিন দিন অসুস্থ হয়ে পড়ছি। এভাবে হলে থাকা এবং নিয়মিত পড়াশোনা করা অসম্ভব হয়ে যাচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ক্যান্টিনের খাবারের অতিরিক্ত দাম। ফলে আমরা প্রতিদিন ক্যান্টিনে খেতে পারি না। এ করুণ অবস্থা কেউ দেখছে না। এভাবে তো চলতে পারে না। সমস্যা বহুদিনের, কিন্তু সমাধানের কোনো চেষ্টা দেখছি না।’

সায়েদ নামের আরেক ছাত্র বলেন, ‘যখন দাম কম ছিল তখনো হলের খাবারের মান জঘন্য ছিল। এখন দাম সমন্বয়ের কথা বলছে। দাম বাড়বে ঠিকই কিন্তু মান বাড়বে না।’

শিক্ষার্থী জিল্লুর রহমান বলেন, ‘সব জিনিসের দাম কমেছে অলরেডি। দাম সমন্বয়ের কথা বললে অযথা দাম বাড়বে। কিন্তু খাবারের মানের কোনো পরিবর্তন হবে না।’

শেকৃবির হলে খাবারের মান নিয়ে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা

খাবারমানের নাজুক পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব সিরাজুদ্দৌলা হলের ডাইনিং ম্যানেজার জাকির হোসেনের সঙ্গে কথা হয়। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘৩০ টাকায় ডাইনিং চালানো আর সম্ভব না। নিত্যপণ্যের দাম যেভাবে বেড়েছে তাতে খাবার মান ভালো দেওয়া অসম্ভব। যদি খাবারের দাম বাড়ানো না হয় তাহলে মান ঠিক রেখে আমরা ডাইনিং চালাতে পারবো না। এ নিয়ে প্রভোস্টকে চিঠি দিয়েছি।’

কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের ডাইনিং ম্যানেজার জুয়েল জাগো নিউজকে বলেন, ‘এখন যে খাবার দিচ্ছি তাতে হিসেব করে দেখেছি প্রতিদিন আমার ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা লস যাচ্ছে। প্রতি মিলের খরচ প্রায় ৩৩ টাকা এবং পার্সেল নিলে ৩৫ টাকা পড়ে যাচ্ছে। সেখানে ৩০ টাকা দিয়ে ভালো খাবার দেওয়া অসম্ভব প্রায়। এভাবে ডাইনিং বেশি দিন চালাতে পারবো না হয়তো।’

খাদ্যমানের নিম্ন অবস্থা নিয়ে জানতে চাইলে নবাব সিরাজুদ্দৌলা হলের প্রভোস্ট সিরাজুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা এ বিষয় চিন্তা করছি। খুব দ্রুতই শিক্ষার্থী ও ডাইনিং ম্যানেজারদের সঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নেবো। তবে সরকার বা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাড়তি কোনো ভর্তুকি না থাকায় দাম বাড়ানো ছাড়া আমাদের হাতে অন্য কোনো উপায় নেই। অনেক দরিদ্র শিক্ষার্থী ডাইনিংয়ে খাওয়া-দাওয়া করে দেখে এতদিন দাম বাড়ানো হয়নি।’

প্রভোস্ট কমিটির আহ্বায়ক ও কবী নজরুল ইসলাম হলের প্রোভোস্ট কামাল উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, ‘বিষয়গুলো জেনেছি। আশা করি শিক্ষার্থীবান্ধব দ্রুত কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারবো। তবে একটু অপেক্ষা করতে হবে। সব প্রোভোস্ট এবং শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়েই যথার্থ সিদ্ধান্ত নেবো।’

 

সর্বশেষ - আইন-আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত