শুক্রবার , ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উপ-সম্পাদকীয়
  5. কৃষি ও প্রকৃতি
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. জীবনযাপন
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. দেশগ্রাম
  13. দেশজুড়ে
  14. ধর্ম
  15. নারী ও শিশু

মার্কিন ডলার রপ্তানিকারকেরা ছাড়ছেন না, প্রবাসীরাও কম পাঠাচ্ছেন

প্রতিবেদক
নিউজ ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২২ ৭:৫৮ পূর্বাহ্ণ

সংকট প্রকট হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শে ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) ও বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) শীর্ষ নেতারা গত রোববার এক সভায় বিভিন্ন লেনদেনে ডলারের সর্বোচ্চ দাম নির্ধারণ করেন। এতে রপ্তানি আয়ে সর্বোচ্চ দাম ৯৯ টাকা, প্রবাসী আয়ে ১০৮ টাকা দাম বেঁধে দেওয়া হয়। আর ডলারের পাঁচ দিনের গড় খরচের চেয়ে এক টাকা বেশি দামে আমদানি দায় শোধ করতে বলা হয়।

ডলারের বাজার

বাফেদার তথ্য অনুযায়ী, গতকাল ন্যাশনাল ব্যাংক ১১২ টাকা, সিটি ব্যাংক ১১০ টাকা, ইসলামী ব্যাংক ১০৯ টাকা ও পূবালী ব্যাংক ১০৮ টাকা দামে ডলার কিনেছে। আমদানিকারকদের এখনো বেশি দামে ডলার কিনে দায় শোধ করতে হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

ব্যাংকগুলোর ঘোষিত দাম অনুযায়ী, গতকাল আমদানি দায় নিষ্পত্তিতে প্রতি ডলারে রাষ্ট্রমালিকানাধীন সোনালী ব্যাংক ১০৬ টাকা ৮০ পয়সা, জনতা ব্যাংক ১০৬ টাকা ৫০ পয়সা, অগ্রণী ব্যাংক ১০৫ টাকা ১০ পয়সা; আর বেসরকারি প্রাইম ব্যাংক ১০১ টাক ৯২ পয়সা, ইস্টার্ন ব্যাংক ১০৩ টাকা, ডাচ্–বাংলা ১০৫ টাকা, ব্র্যাক ব্যাংক ১০৪ টাকা ৮০ পয়সা ও সিটি ব্যাংক ১০৭ টাকা ৫০ পয়সা নিয়েছে।

কমছে ডলারের সরবরাহ

রপ্তানি আয় নগদায়নে ব্যাংকগুলো আগে প্রতি ডলারে ১০৪-১০৫ টাকা দিত। গত রোববার থেকে রপ্তানি আয় নগদায়নে দেওয়া হচ্ছে সর্বোচ্চ ৯৯ টাকা। ফলে রপ্তানিকারকেরা এখনই ডলার নগদায়ন না করে নিজেদের হিসাবে জমা রাখছেন।

ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, ব্যবসায়ীরা ডলারের মূল্যবৃদ্ধির আশায় রপ্তানি আয় ধরে রাখছেন। ফলে ডলারের সরবরাহ কমে গেছে। এ জন্য সংকটও কাটছে না।

তবে বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম প্রথম আলোকে বলেন, ‘হয়তো ৫ শতাংশ ব্যবসায়ী ডলার নগদায়ন না করে ব্যবসা চালিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা আছে। অন্যদের অবস্থা খুবই খারাপ। ব্যাংক রপ্তানি বিল ৯৯ টাকায় কিনে নিচ্ছে।

আবার ঋণপত্রের দায় পরিশোধের সময় আমাদের ১০৪ টাকায় ডলার কিনতে হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে পোশাক খাত ধ্বংস হয়ে যাবে। বেতনও দিতে পারবে না। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ বিষয়ে দ্রুত হস্তক্ষেপ না করলে বড় বিপদ আসবে।’

এদিকে বেসরকারি খাতের একটি ব্যাংক প্রতিদিন গড়ে এক কোটি ডলার প্রবাসী আয়পেত। প্রবাসী আয়ে ডলারের সর্বোচ্চ দাম ১০৮ টাকা বেঁধে দেওয়ার পর এখন তা কমে ১০ লাখ ডলারে নেমেছে।

এক্সচেঞ্জ হাউসের কর্মকর্তারা বলছেন, প্রবাসীরা আগে আরও বেশি দাম পেতেন। এখন কম পাচ্ছেন। এ জন্য অনেকেই অন্য মাধ্যমে অর্থ পাঠাচ্ছেন। তবে কোনো কোনো এক্সচেঞ্জ হাউস দাম আরও বৃদ্ধির আশায় ডলার মজুতও করছে।

সর্বশেষ - দেশজুড়ে

আপনার জন্য নির্বাচিত

বেনাপোলে সাড়ে ১৬ কেজি সোনা জব্দ, দুই পাচারকারী আটক

ইমরান খানকে ইসলামাবাদ হাইকোর্টে হাজির হওয়ার নির্দেশ

এনআইডির সার্ভারে ত্রুটি, মোবাইল সিম বিক্রিতে ভোগান্তি

গাইবান্ধায় ১৯ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ৩

পিকে হালদারের মামলায় ৯৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ

সাগরে আটকা পড়ে ছিলেন দুই মাস, খেতেন কাঁচা মাছ, সঙ্গে ছিল পোষা কুকুর

ড. ইউনূসের পক্ষে আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বদের খোলাচিঠি তথ্যের ঘাটতির কারণে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইভিএম পদ্ধতিতে অনিয়ম করার কোনো সুযোগ নেই: নির্বাচন কমিশনার আহসান হাবিব

স্মার্ট বাংলাদেশে গতিশীল শেয়ারবাজার পাওয়ার আশা ডিএসই চেয়ারম্যানের

মৌলভীবাজারে পরিবেশের মামলার তদন্তে ধীরগতি