শুক্রবার , ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ১লা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উপ-সম্পাদকীয়
  5. কৃষি ও প্রকৃতি
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. জীবনযাপন
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. দেশগ্রাম
  13. দেশজুড়ে
  14. ধর্ম
  15. নারী ও শিশু

সামান্য বৃষ্টিতেই শ্রেণিকক্ষে পানি, শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত

প্রতিবেদক
নিউজ ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২২ ৮:০০ পূর্বাহ্ণ

সামান্য বৃষ্টিতে নাটোরের একটি বিদ্যালয়ের মাঠে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। এতে বিপাকে পড়েছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা। পানির ভেতরে দাঁড়িয়ে ক্লাস করতে হয় শিক্ষার্থীদের। সামান্য বৃষ্টিতেই স্কুল মাঠে এবং শ্রেণিকক্ষে পানি চলে আসে। মূলত পানি নিষ্কাশনের পথ অবরুদ্ধ করে স্থানীয় প্রভাবশালীরা গড়ে তুলেছে বসতবাড়ি। ফলে শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ স্কুলটির মাঠ সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেই। বিদ্যালয়টি হল নাটোর সদর উপজেলা ছাতনী ইউনিয়নের নান্নুর মোড় এলাকায় অবস্থিত চক আমহাটি উচ্চ বিদ্যালয়।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, বিদ্যালয় মাঠে ও যাতায়াতের সড়ক এমনকি শ্রেণি কক্ষের ভেতরেও পানি থাকার কারণে ক্লাস করতে পারছেন না ছাত্র-ছাত্রী। ছাত্র-ছাত্রীরা বিদ্যালয় আসার পথে পা পিছলে পড়ে গিয়ে পরনের স্কুলড্রেস নষ্ট হয়ে যায়। এমনকি বই খাতা ভিজে নষ্ট হয়ে যায়। তাই তারা এ থেকে প্রতিকার চান।

বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. হাসান মিয়া ও রতন গাজী বলেন, মাঠে জলাবদ্ধতার কারণে নিয়মিত খেলাধুলা করা যায় না। একটু বৃষ্টি হলেই একটি ভবন থেকে অন্য ভবনে আসা-যাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। তা ছাড়া বিদ্যালয় থেকে রাস্তায় যাওয়া যায় না। এ ছাড়া স্কুলের চারিদিকের পানি মাঠে এসে জমা হয়। ফলে অল্প পানিতেই ক্লাস রুমগুলো ভরে যায়। কয়েকজন অভিভাবক জানান, সামান্য বৃষ্টি হলে স্কুল মাঠে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে স্কুল ছুটি দিয়ে দেন শিক্ষকরা। ফলে সন্তানদের নিয়ে বৃষ্টি মাথায় ও বজ্রপাতের ভয় নিয়ে বাড়ি ফিরতে হয়। অভিভাবকদের দাবী মাঠ থেকে পানি দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হোক।

চক আমহাটি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জাহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, সামান্য বৃষ্টিপাত হলেই মাঠে এসেম্বলি করা সম্ভব হয় না। ছাত্র-ছাত্রীরা মাঠে খেলাধুলা করতে পারে না। এমনকি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্লাস রুমের ভেতরে পানি প্রবেশ করায় ক্লাস নিতেও সমস্যা হয়। আর এ সমস্যার কারণে অনুপস্থিত থাকে অনেক শিক্ষার্থী। আর কিছু দিন পরে বার্ষিক পরীক্ষা। এখন যদি ছাত্র-ছাত্রী বিদ্যালয় না আসে তাহলে তাদের রেজাল্ট খারাপ হবে। তাই দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক ও জেলা শিক্ষা অফিসারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

জেলা শিক্ষায় কর্মকর্তা আকতার হোসেন জানান, আমি নিজে স্কুলটি সরেজমিনে পরিদর্শন করব। তারপর সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করা হবে।

সর্বশেষ - আইন-আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত