শনিবার , ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ১০ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উপ-সম্পাদকীয়
  5. কৃষি ও প্রকৃতি
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. জীবনযাপন
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. দেশগ্রাম
  13. দেশজুড়ে
  14. ধর্ম
  15. নারী ও শিশু

বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি বাতিলের দাবি

প্রতিবেদক
নিউজ ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২২ ১:০৮ অপরাহ্ণ

প্রায় ১৪ বছর পর বৃহস্পতিবার নুরুল আমিনকে আহ্বায়ক ও রফিকুল ইসলামকে সদস্যসচিব করে বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। বৃহস্পতিবার দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মজিবর রহমান, সদস্যসচিব আকতার হোসেন এ কমিটি অনুমোদন দেন। আগামী দুই মাসের জন্য ৭ জন যুগ্ম আহ্বায়কসহ ৩৫ সদস্যের ওই কমিটি গঠন করা হয়।

ওই কমিটি বাতিলের দাবিতে শনিবার সকালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সদ্য ঘোষিত আহ্বায়ক কমিটির ১ নম্বর সদস্য জিয়াউল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জিয়াউল ইসলাম বলেন, বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির আহ্বায়ক মজিবর রহমান ও সদস্যসচিব আকতার হোসেন কোনো রকম আলাপ-আলোচনা ছাড়াই ১২ জুলাই সদর উপজেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত করেন। এ নিয়ে তিনি ওই কমিটির সাবেক সভাপতি কাজী এনায়েত হোসেনের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেননি। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিছ আক্তার জাহানসহ  বিভিন্ন নেতাদের অনুরোধ ও পরামর্শ উপেক্ষা করে অসাংগঠনিকভাবে কমিটি  বিলুপ্ত করেন।

পরে সদর উপজেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত করার বিষয়টি ওই কমিটির সাবেক সভাপতি কাজী এনায়েত হোসেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, মহাসচিব, বরিশাল বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল  আউয়াল মিন্টুর কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আবদুল আউয়াল মিন্টু মহাসচিবের বরাত দিয়ে সাংগঠনিক টিমের পরামর্শে সদর উপজেলা কমিটি করার লিখিত নির্দেশ দেন। কিন্তু সেই নির্দেশ অমান্য করে ১৫ সেপ্টেম্বর রাত ১২ দিকে বরিশাল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মজিবর রহমান তাঁর ফেসবুক আইডিতে বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপির ৩৫ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে জিয়াউল ইসলাম আরও বলেন, জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত ও বিতর্কিত নেতা নুরুল আমিনকে সদ্য ঘোষিত সদর উপজেলা বিএনপির কমিটির আহ্বায়ক ঘোষণা করা হয়েছে। যিনি সদ্য বিলুপ্ত উপজেলার বিএনপির সদস্যও ছিলেন না। এ ছাড়া নুরুল আমিন ২০১৪ সালের উপজেলা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী  কাজী এনায়েত হোসেনের সরাসরি বিরোধিতা করেন এবং তাঁর ইউনিয়নে বিএনপির নেতাদের পুলিশ দিয়ে হয়রানি করান।

সংবাদ সম্মেলনে পদবঞ্চিত নেতারা বলেন, বিতর্কিত আহ্বায়ক কমিটিতে সহযোগী সংগঠনের অনেক নেতাদের সদস্য করা হয়েছে, যাদের অনেককে তাঁরা  চেনেন না।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলার সাবেক সভাপতি কাজী এনায়েত হোসেন, সদ্য ঘোষিত কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মন্টু খান, সদস্য মামুন অর রশিদ, আনোয়ার হোসেন, আবদুর জব্বার শিকদারসহ সদর উপজেলা বিএনপির অন্য নেতারা।

অনৈতিক সুবিধা নিয়ে এবং অগঠনতান্ত্রিকভাবে কমিটি গঠনের অভিযোগের বিষয়ে বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির আহ্বায়ক মজিবর রহমান বলেন, ‘আন্দোলন বা অভিযোগ করার অধিকার সবারই আছে। তবে দল যাঁদের যোগ্য মনে করেছে, তাঁদের দিয়েই আহ্বায়ক কমিটি গঠন করেছে। এর বাইরে আমার কোনো বক্তব্য নেই।’

এর আগে গত ১২ জুলাই সদর উপজেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছিল। ওই দিন নগরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে কর্মিসভা শেষে ১৪ বছর আগে গঠিত কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।

২০০৯ সালে কাজী এনায়েত হোসেনকে সভাপতি ও শামীম হাওলাদারকে সাধারণ সম্পাদক করে সদর উপজেলা বিএনপির কমিটি হয়েছিল। এরপর শামীম হাওলাদার কয়েক বছর আগে মারা গেলে আনোয়ার হোসেনকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক করা হয়।

প্রায় ১৪ বছর পর বৃহস্পতিবার নুরুল আমিনকে আহ্বায়ক ও রফিকুল ইসলামকে সদস্যসচিব করে বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। বৃহস্পতিবার দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মজিবর রহমান, সদস্যসচিব আকতার হোসেন এ কমিটি অনুমোদন দেন। আগামী দুই মাসের জন্য ৭ জন যুগ্ম আহ্বায়কসহ ৩৫ সদস্যের ওই কমিটি গঠন করা হয়।

ওই কমিটি বাতিলের দাবিতে শনিবার সকালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সদ্য ঘোষিত আহ্বায়ক কমিটির ১ নম্বর সদস্য জিয়াউল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জিয়াউল ইসলাম বলেন, বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির আহ্বায়ক মজিবর রহমান ও সদস্যসচিব আকতার হোসেন কোনো রকম আলাপ-আলোচনা ছাড়াই ১২ জুলাই সদর উপজেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত করেন। এ নিয়ে তিনি ওই কমিটির সাবেক সভাপতি কাজী এনায়েত হোসেনের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেননি। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিছ আক্তার জাহানসহ  বিভিন্ন নেতাদের অনুরোধ ও পরামর্শ উপেক্ষা করে অসাংগঠনিকভাবে কমিটি  বিলুপ্ত করেন।

পরে সদর উপজেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত করার বিষয়টি ওই কমিটির সাবেক সভাপতি কাজী এনায়েত হোসেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, মহাসচিব, বরিশাল বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল  আউয়াল মিন্টুর কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আবদুল আউয়াল মিন্টু মহাসচিবের বরাত দিয়ে সাংগঠনিক টিমের পরামর্শে সদর উপজেলা কমিটি করার লিখিত নির্দেশ দেন। কিন্তু সেই নির্দেশ অমান্য করে ১৫ সেপ্টেম্বর রাত ১২ দিকে বরিশাল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মজিবর রহমান তাঁর ফেসবুক আইডিতে বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপির ৩৫ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে জিয়াউল ইসলাম আরও বলেন, জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত ও বিতর্কিত নেতা নুরুল আমিনকে সদ্য ঘোষিত সদর উপজেলা বিএনপির কমিটির আহ্বায়ক ঘোষণা করা হয়েছে। যিনি সদ্য বিলুপ্ত উপজেলার বিএনপির সদস্যও ছিলেন না। এ ছাড়া নুরুল আমিন ২০১৪ সালের উপজেলা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী  কাজী এনায়েত হোসেনের সরাসরি বিরোধিতা করেন এবং তাঁর ইউনিয়নে বিএনপির নেতাদের পুলিশ দিয়ে হয়রানি করান।

সংবাদ সম্মেলনে পদবঞ্চিত নেতারা বলেন, বিতর্কিত আহ্বায়ক কমিটিতে সহযোগী সংগঠনের অনেক নেতাদের সদস্য করা হয়েছে, যাদের অনেককে তাঁরা  চেনেন না।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলার সাবেক সভাপতি কাজী এনায়েত হোসেন, সদ্য ঘোষিত কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মন্টু খান, সদস্য মামুন অর রশিদ, আনোয়ার হোসেন, আবদুর জব্বার শিকদারসহ সদর উপজেলা বিএনপির অন্য নেতারা।

অনৈতিক সুবিধা নিয়ে এবং অগঠনতান্ত্রিকভাবে কমিটি গঠনের অভিযোগের বিষয়ে বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির আহ্বায়ক মজিবর রহমান বলেন, ‘আন্দোলন বা অভিযোগ করার অধিকার সবারই আছে। তবে দল যাঁদের যোগ্য মনে করেছে, তাঁদের দিয়েই আহ্বায়ক কমিটি গঠন করেছে। এর বাইরে আমার কোনো বক্তব্য নেই।’

এর আগে গত ১২ জুলাই সদর উপজেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছিল। ওই দিন নগরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে কর্মিসভা শেষে ১৪ বছর আগে গঠিত কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।

২০০৯ সালে কাজী এনায়েত হোসেনকে সভাপতি ও শামীম হাওলাদারকে সাধারণ সম্পাদক করে সদর উপজেলা বিএনপির কমিটি হয়েছিল। এরপর শামীম হাওলাদার কয়েক বছর আগে মারা গেলে আনোয়ার হোসেনকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক করা হয়।

সর্বশেষ - দেশজুড়ে