বৃহস্পতিবার , ৬ অক্টোবর ২০২২ | ৫ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উপ-সম্পাদকীয়
  5. কৃষি ও প্রকৃতি
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. জীবনযাপন
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. দেশগ্রাম
  13. দেশজুড়ে
  14. ধর্ম
  15. নারী ও শিশু

কুষ্টিয়ায় ২৩ দিনে ১৩৬ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত, অধিকাংশ রূপপুরের শ্রমিক

প্রতিবেদক
নিউজ ডেস্ক
অক্টোবর ৬, ২০২২ ১২:২৭ অপরাহ্ণ

আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১০৭ জন। বাকি রোগীদের মধ্যে জেনারেল হাসপাতালে ১৫ জন ভর্তি আছেন। এ ছাড়া অন্য রোগীরা ভেড়ামারা ও মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। তবে চলতি বছর জেলার কুমারখালী ও খোকসা উপজেলায় কোনো ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হননি।

আজ দুপুরে জেনারেল হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, হাসপাতালের জরুরি বিভাগের পাশে দুটি কক্ষে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা চলছে। তাঁদের সবাই মশারির ভেতরে অবস্থান করছেন।
হাসপাতালে ভর্তি ভেড়ামারার ষোলদাগ এলাকার বাসিন্দা নাজমুল হক বলেন, তিনি রূপপুর প্রকল্পে শ্রমিকের কাজ করেন। পাঁচ দিন আগে হঠাৎ জ্বর অনুভব করলে হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে জানতে পারেন, তিনি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত। কাজ করার সময় প্রচুর মশা কামড়াত। বিদ্যুৎ প্রকল্পের ভেতরে পানি জমে থাকে। সেখানে প্রচুর মশা দেখেছেন বলে দাবি করেন তিনি।

আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে অধিকাংশ 
রোগী পাবনার নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের শ্রমিক

আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে অধিকাংশ রোগী পাবনার নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের শ্রমিক
ছবি: প্রথম আলো

ভেড়ামারা উপজেলার রায়টা এলাকার বাসিন্দা শাহিন আলী নামের আরেক শ্রমিক বলেন, তিনি রূপপুর প্রকল্পের একটি বিদেশি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন। দুই বছর ধরে তিনি সেখানে কাজ করছেন। চার দিন আগে তীব্র জ্বর অনুভব করেন। এরপর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তিনিও রূপপুর প্রকল্পের ভেতরে স্বচ্ছ পানি জমে থাকতে দেখেছেন বলে দাবি করেন।

জানতে চাইলে কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, আক্রান্ত রোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অধিকংশ রোগী রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকা থেকে এডিস মশার কামড়ে আক্রান্ত হয়েছেন। সেখানে এডিসের লার্ভা নিধনে ও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পাবনার সিভিল সার্জনের সঙ্গে কথা হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ও মেডিসিন চিকিৎসক মাহফুজুর রহমান বলেন, হঠাৎ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগী বেড়েছেন। ভর্তি রোগীদের বেশির ভাগই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে শ্রমিকের কাজ করেন। তাঁদের প্রয়োজনীয় সব সেবা দেওয়া হচ্ছে। যিনি মারা গেছেন, তিনি মুমূর্ষু অবস্থায় এসেছিলেন। তাঁকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। তবে ভর্তি রোগীদের অধিকাংশই সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরছেন।

সর্বশেষ - দেশজুড়ে