সোমবার , ১৭ অক্টোবর ২০২২ | ১০ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উপ-সম্পাদকীয়
  5. কৃষি ও প্রকৃতি
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. জীবনযাপন
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. দেশগ্রাম
  13. দেশজুড়ে
  14. ধর্ম
  15. নারী ও শিশু

চট্টগ্রামে মাদক মামলায় ৩ জনের ২০ বছরের কারাদণ্ড

প্রতিবেদক
নিউজ ডেস্ক
অক্টোবর ১৭, ২০২২ ৪:০৫ অপরাহ্ণ

প্রায় পাঁচ বছর আগে চট্টগ্রাম মহানগরীর ডবলমুরিং থানা এলাকা থেকে আড়াই লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় মাদক মামলার পৃথক ধারায় তিন আসামিকে ২০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১৭ অক্টোবর) চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ নারগিস আক্তারের আদালত আসামিদের এ দণ্ডাদেশ দেন।

২০ বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- শ্যামল মজুমদার, মো. মামুন হোসেন ও মোছা. আয়শা ছিদ্দিকা। এছাড়া রায়ে মো. আবদুল্লাহ আল মামুন নামের এক আসামিকে ছয় বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রায় ঘোষণার সময় চার আসামিই আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

আদালতের পেশকার মোহাম্মদ ফরিদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জাগো নিউজকে বলেন, ডবলমুরিংয়ে আড়াই লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনার মামলায় তিনজনকে পৃথক ধারায় ২০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

এরমধ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-১৯৯০ এর ১৯(১) ধারায় প্রত্যককে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। এছাড়া ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। রায়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-১৯৯০ এর ২০ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে তিনজনের প্রত্যেককে ৬ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে পাঁচ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রায়ে আদালত বলেছেন, পৃথকভাবে কারাদণ্ড দেওয়া হলেও আসামিদের উভয় দণ্ড একসঙ্গে চলবে। তাছাড়া এ মামলায় আসামিদের হাজতবাস উল্লিখিত দণ্ডাদেশ থেকে বাদ যাবে।

অন্যদিকে আসামি মো. আবদুল্লাহ আল মামুনকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯৯০ এর ২৫ ধারায় ৬ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ২৭ ডিসেম্বর নগরীর ডবলমুরিং থানাধীন বেপারিপাড়া এলাকা থেকে আড়াই লাখ পিস ইয়াবাসহ চারজনকে গ্রেফতার করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। এরপর গোয়েন্দা পুলিশের তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. কামরুজ্জামান বাদী হয়ে ডবলমুরিং থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেন।

সর্বশেষ - দেশজুড়ে