বুধবার , ২৬ অক্টোবর ২০২২ | ১লা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উপ-সম্পাদকীয়
  5. কৃষি ও প্রকৃতি
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. জীবনযাপন
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. দেশগ্রাম
  13. দেশজুড়ে
  14. ধর্ম
  15. নারী ও শিশু

মির্জাপুরে কিশোর-কিশোরী ক্লাব শিক্ষার্থীদের নাস্তা বন্ধ

প্রতিবেদক
নিউজ ডেস্ক
অক্টোবর ২৬, ২০২২ ৭:০০ পূর্বাহ্ণ

ব্যয় কমানোর অজুহাতে মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের ‘কিশোর-কিশোরী ক্লাব স্থাপন’ প্রকল্প থেকে শিশুদের নাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এতে এসব ক্লাবে শিশুদের আসা কমে গেছে। শিশুদের মধ্যে গান, আবৃত্তি, কারাতে, জেন্ডার, বাল্যবিয়েসহ নানা সৃজনশীল বিষয় ছড়িয়ে দিতে দেশের সব জেলা থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ে কিশোর-কিশোরী ক্লাব স্থাপন করা হয়েছিল।

এ প্রকল্পের নাস্তা বন্ধ থাকলেও চলমান রয়েছে ক্লাবের সব কার্যক্রম। এসব কার্যক্রম থেকে নাস্তার বরাদ্দ কমিয়ে ব্যয় সাশ্রয় অবিবেচক সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

Tangail-(1)

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানান, ২০১৯ সালের ২৪ নভেম্বর এ উপজেলার একটি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়নে কিশোর-কিশোরী ক্লাব স্থাপন করা হয়। প্রতিটি ক্লাবে ১০ জন কিশোর ও ২০ জন কিশোরী শিক্ষার্থী রয়েছে। প্রশিক্ষণের জন্য ১৫ জন আবৃত্তি ও ১৫ জন সঙ্গীত শিক্ষক এবং ৫টি ক্লাবের জন্য একজন করে জেন্ডার প্রমোটার নিয়োগ দেওয়া হয়। তারা সপ্তাহের শুক্র ও শনিবার উপজেলার ১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের জেন্ডার, বাল্যবিয়ে, আবৃত্তি ও সঙ্গীতের বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে প্রশিক্ষণের দিন এসব শিক্ষার্থীদের নাস্তার জন্য ৩০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এতে শিক্ষার্থীরা আগ্রহ নিয়ে ক্লাসে আসতে থাকে। কিন্তু গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে নাস্তার বরাদ্দ বন্ধ করে দেওয়ায় এসব ক্লাবে শিক্ষার্থীদের উপস্থিত কমছে।

Tangail-(1)

এছাড়া তিনজন জেন্ডার প্রমোটারকে তিনটি বাইসাইকেল দেওয়া হয়েছে। তারা বাইসাইকেলে করে ক্লাবে ক্লাবে গিয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছেন। এজন্য তাদের প্রতি মাসে আট হাজার টাকা সম্মানি দেওয়া হয়। এছাড়া ১৫ জন আবৃত্তি ও ১৫ জন সঙ্গীত শিক্ষক প্রতি মাসে ২০০০ হাজার টাকা সম্মানি পান।

জেন্ডার প্রমোটার মুন্নি আক্তার জানান, গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষার্থীদের নাস্তা বন্ধ রয়েছে। পাঁচটি ক্লাবে যাতায়াতের জন্য তাকে একটি বাইসাইকেল দেওয়া হয়েছে। নারী হয়ে বাইসাইকেল নিয়ে যাতায়াত করতে অনেকটা সমস্যা হয়। এজন্য নিজের মতো করে যাতায়াত করে থাকি।

Tangail-(1)

জেন্ডার প্রমোটার কাজী আরিফ জানান, সপ্তাহের শুক্রবার তিনটি এবং শনিবার বাকি দুটি ক্লাবে প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন। বাইসাইকেল নিয়ে একদিনে পাঁচটি ক্লাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব হয় না। শিশুদের নাস্তা বন্ধ থাকায় তাদের উপস্থিতি কিছুটা কমে গেছে বলে তিনি দাবি করেন।

Tangail-(1)

মির্জাপুর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাছরিন সুলতানা জানান, কিশোর-কিশোরী ক্লাবের ৪৫০ জন শিক্ষার্থীর নাস্তার জন্য প্রতি মাসে এক লাখ পাঁচ হাজার টাকা বরাদ্দ ছিল। বর্তমানে নাস্তা বন্ধ রয়েছে। বরাদ্দ পেলে আবার নাস্তা দেওয়া হবে।

সর্বশেষ - আইন-আদালত