সোমবার , ১৮ জুলাই ২০২২ | ১লা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উপ-সম্পাদকীয়
  5. কৃষি ও প্রকৃতি
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. জীবনযাপন
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. দেশগ্রাম
  13. দেশজুড়ে
  14. ধর্ম
  15. নারী ও শিশু

মুসলিমদের প্রতি আল্লাহর সান্ত্বনা

প্রতিবেদক
pappu
জুলাই ১৮, ২০২২ ৬:৪৭ অপরাহ্ণ

ওহুদের যুদ্ধে মুসলিম বাহিনী ভুল বুঝাবুঝির কারণে সাময়িকভাবে বিপদে পড়ে। মুসলিম বাহিনীর সাময়িক বিপর্যয়ের পেছনের ঘটনার বর্ণনাকে দৃষ্টান্তস্বরূপ তুলে ধরে মহান আল্লাহ মুসলিমদের এভাবে সান্ত্বনা দেন-
قَدۡ خَلَتۡ مِنۡ قَبۡلِکُمۡ سُنَنٌ ۙ فَسِیۡرُوۡا فِی الۡاَرۡضِ فَانۡظُرُوۡا کَیۡفَ کَانَ عَاقِبَۃُ الۡمُکَذِّبِیۡنَ – هٰذَا بَیَانٌ لِّلنَّاسِ وَ هُدًی وَّ مَوۡعِظَۃٌ لِّلۡمُتَّقِیۡنَ
‘অবশ্যই তোমাদের আগে অনেক রীতি-নীতি অতিবাহিত হয়েছে, অতএব তোমরা জমিনে ভ্রমণ কর, দেখ অস্বীকারকারীদের পরিণতি কিরূপ হয়েছিল। এটা মানুষের জন্য স্পষ্ট বর্ণনা ও হিদায়াত এবং উপদেশ মুত্তাকিদের জন্য।’ (সুরা আল-ইমরান : আয়াত : ১৩৭-১৩৮)

আয়াতের সার-সংক্ষেপ
ওহুদ যুদ্ধে মুসলিমদের সৈন্য সংখ্যা ছিল সাতশ’। তাদের মধ্য থেকে ৫০ জন তীরন্দাজের একটি দলকে নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে যুবায়ের রাদিয়াল্লাহু আনহুর নেতৃত্বে (জাবালে রুমাত) ছোট পাহাড়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিতে নিযুক্ত করেছিলেন। তাদের বলেছিলেন, আমরা জিতে যাই বা হেরে যাই, কোনো অবস্থাতেই তোমরা এখান থেকে নড়বে না। তোমাদের কাজ হবে, কোনো অশ্বারোহী এদিকে এলে তাকে তীর ছুঁড়ে পশ্চাৎপদ হতে বাধ্য করা।
কিন্তু যখন মুসলিমরা বিজয় লাভ করে গনীমতের মাল জমা করছিলেন, তখন এই দলের মধ্যে মতভেদ দেখা দিল। কেউ কেউ বলতে লাগলেন, নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উদ্দেশ্য ছিল, যতক্ষণ পর্যন্ত যুদ্ধ চলতে থাকবে, ততক্ষণ পর্যন্ত এখান থেকে নড়া হবে না। এখন যুদ্ধ শেষ হয়ে গেছে, কাফেররা পশ্চাদপসরণ করেছে। অতএব আর এখানে থাকার কোনো প্রয়োজন নেই। কাজেই তাঁরা সেখান থেকে চলে এসে মাল-পত্র জমা করার কাজে লেগে গেলেন। সেখানে নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশের আনুগত্য করে শুধু দশজন সাহাবি রয়ে গেলেন।

এদিকে ঘাঁটি শূন্য পেয়ে কাফেরদের উপকার হলো। তাদের অশ্বারোহী দল মুসলিমদের পেছন থেকে পাল্টা আক্রমণ করে বসলো। অতর্কিতে এই আক্রমণের কারণে মুসলিমদের মধ্যে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয় এবং তাঁরা স্বাভাবিকভাবে বহু কষ্টের শিকারও হলেন।

এই আয়াতগুলোতে মহান আল্লাহ মুসলিমদেরকে সান্ত্বনা দিয়ে বলছেন যে, তোমাদের সঙ্গে যা কিছু হয়েছে, তা নতুন কিছু নয়; আগেও এ রকম হয়ে এসেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ধ্বংস ও বরবাদী তাদের ভাগ্যেই নেমে আসে, যারা আল্লাহ ও তাঁর রসুলকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে।

পরবর্তী আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন, ওহুদের এ ঘটনা মাবনজাতির জন্য স্পষ্ট বর্ণনা আর আল্লাহর ভিরুদের জন্য হেদায়েত ও উপদেশ।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর সবাইকে ভুল বুঝাবুঝি থেকে হেফাজত করুন। কোরআন-সুন্নাহর দিকনির্দেশনা মোতাবেক জীবন পরিচালনার তাওফিক দান করুন। আমিন।


সর্বশেষ - আইন-আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী গ্যাসের দাম ৯০০ টাকা বাড়লেও মূল্যস্ফীতিতে প্রভাব পড়বে না

কমনওয়েলথ সম্মেলনে যোগ দিতে যুক্তরাজ্য সফরে এফবিসিসিআই প্রতিনিধিদল

গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আজমত উল্লা খান

রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে

যুক্তরাষ্ট্রকে ভারতের বার্তা প্রসঙ্গে যা বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশিদের জন্য বাংলায় টুইট করে চলেছেন সেই আর্জেন্টাইন সাংবাদিক

নাগালের বাইরে মাছ, দাম কমেনি কাঁচা মরিচ-আদা-আলু-চিনির

ডিএমপি কমিশনারের সঙ্গে বিএনপি নেতাদের বৈঠক, বেরিয়ে যা বললেন

রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল বেড়ে শীতে কেন হার্ট অ্যাটাক বেশি হয়?

চাঁদ দেখা গেছে, ২৯ জুন ঈদুল আজহা